মুক্তাপ্লাস (জিংক ৩৬%) - ১কেজি - কৃষি পণ্য অনলাইন type='text/javascript'/>
SUBTOTAL :$0.00

Follow Us

মুক্তাপ্লাস (জিংক ৩৬%) - ১কেজি

মুক্তাপ্লাস (জিংক ৩৬%) - ১কেজি

Short Description:
mukta plus, মুক্তা প্লাস, দস্তাসার

Product Description


মুক্তাপ্লাস (জিংক সালফেট মনােহাইড্রেট ৩৬%)

রাসায়নিক সার।

ক্রিয়ার ধরনঃ প্রবাহমান।

জিংক সালফেট সার

বাংলাদেশের মাটিতে জিংক বা দস্তা ঘাটতি পূরণে তিন ধরনের দন্তা সার ব্যবহার হয়ে আসছে। একটি জিংক সালফেট মনোহাইড্রেট

অপরটি জিংক সালফেট হেপটাহাইড্রেট

সামান্য পরিমাণ চিলেটেড জিংক স্প্রে করে সরাসরি গাছে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। জিংক সালফেট মনোহাইড্রেটে শতকরা ৩৬.০ ভাগ দস্তা ও  ১৭.৬ ভাগ গন্ধক থাকে। অপরদিকে জিংক সালফেট হেপটাহাইড্রেটে দস্তা ও গন্ধকের পরিমাণ যথাক্রমে শতকরা  ২১.০ এবং ১০.৫ ভাগ বিদ্যমান থাকে। চিলেটেড জিংকে শতকরা ১০-১২ ভাগ দস্তা বিদ্যমান থাকে।

জিংক সালফেট মনোহাইড্রেট সারটি আসলে ক্ষুদ্রাকার স্ফটিক আকারে উৎপাদিত হয়। ফসলে প্রয়োগের সুবিধার্থে ইহাকে দানাদার করে বাজারজাত করা হয়ে থাকে। এ সার রঙবিহীন থেকে সাদাটে এবং অনেকটা সাগু দানার মতো দেখা যায়। পানিতে সহজে গলে যায়।

জিঙ্ক সালফেট (হেপটাহাইড্রেট) সারটি দেখতে স্ফটিকাকৃতি চিনির দানার মতো এবং ঝুরঝুরে। প্রকৃত হেপটাহাইড্রেট দস্তা সার পানিতে সহজেই গলে গিয়ে স্বচ্ছ দ্রবণ তৈরি করে।

জিঙ্ক সালফেট (মনোহাইড্রেট) সার জিঙ্ক সালফেট (হেপটাহাইড্রেট) এর তুলনায় অধিক হারে মাটিতে ব্যবহার করা হয়। স্প্রে করেও কোনো কোনো ফসলে প্রয়োগ করা হয়।

দস্তা গাছে বিভিন্ন ধরনের হরমোন তৈরিতে অংশগ্রহণ করে। ক্লোরোফিল উৎপাদনে সহায়তা করে। ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ফসলের ফসফরাস পুষ্টি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। শিম জাতীয় সবজির উল্লেখযোগ্যভাবে ফলন বাড়ায়।

> মাটিতে দস্তার ঘাটতি হলে গাছের পাতায় তামাটে অথবা দাগের আকারে বিবর্ণতা দেখা যায়। 

> ক্ষুদে পাতা বা রোজেট  লক্ষণের সৃষ্টি হয়। 

> নতুন পাতার গোড়ার দিক থেকে বিবর্ণতা শুরু হয়। 

> আন্তঃশিরার স্থানে বিবর্ণতা প্রকটভাবে দেখা দেয়।

জিংকের পরিমাণ বেশি হলে গাছে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত দস্তা আমিষ উৎপাদন অসুবিধার সৃষ্টি করে।

জিংক ঘাটতির কারণ
অতিরিক্ত মাত্রায় ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি সার ব্যবহার করা এবং জিংক সার ব্যবহার না করা। মাটিতে অধিক মাত্রায় ফসফরাস উপস্থিতি জিংকের অভাব ঘটাতে পারে যা অদ্রবণীয় জিংক-ফসফেট গঠন করে। সারা বছরব্যাপী উচ্চ ফলনশীল জাতের ফসল চাষ করা, মাটিতে অধিক চুন দেওয়া, জিংক ঘাটতির প্রতি সংবেদনশীল জাত চাষ করা, মৃত্তিকার উপরের স্তর অপসারণ। এছাড়া ফসলের অবশিষ্টাংশ জমি থেকে তুলে নেওয়া, জমিতে বিশ্রাম না দেওয়া, আবার উদ্ভিদ দেহে অত্যধিক মাত্রায় ফসফরাস থাকলেও জিংকের চলাচল বাধাগ্রস্থ হয় ফলে উদ্ভিদ মূলে জিংকের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় অন্যদিকে শীর্ষ অঞ্চলে ঘাটতি দেখা দেয়।

ব্যবহার উপযােগী ফসল ও বালাইঃ

দস্তার ঘাটতি পূরণে সকল ফসলে ব্যবহৃত হয়।

প্যাক সাইজঃ

০১কেজি

ডোজঃ

৩-৪.৫ কেজি/একর।

প্রতি টবে ১০-১৫গ্রাম।





0 Reviews:

Post Your Review